মধুসূদন দত্ত রচিত 'বীরাঙ্গনা' -----
-
ক
মহাকাব্য
-
খ
পত্রকাব্য
-
গ
গীতিকাব্য
-
ঘ
আখ্যানকাব্য
বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য " বীরঙ্গনা"
বীরাঙ্গনা কাব্যের আঙ্গিক ও নামকরণের দিক থেকে মধুসূদন পাশ্চাত্য কবিদের কাছে ঋণী। ইতালীর কবি ওভিদের হিরোয়দস কাব্যের পত্ররীতি অবলম্বন করে বীরঙ্গনা কাব্য রচিত। বিভিন্ন কারণে পরিত্যক্ত নারীর মনোবেদনা পত্রগুলোর মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। মধুসূদনের নায়িকারা দৈহিক বীরত্ব ও মৌখিক আস্ফালনের জন্য বীরঙ্গনা আখ্যা পাননি, তাদের বীরত্ব চিরাচরিত সামাজিক রীতিনীতির শৃঙ্খল ও জড়তার আচরণ ঘুরিয়ে দিয়ে হৃদয়ের সত্য প্রকাশে। বনবাসিনী শকুনতলার পক্ষে হৃদয়ের অনুভূতি কথা প্রকাশ্যে দুষ্মন্তকে বলা অথবা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনয়ন করা এ চিরাচরিত ভারতীয় নীতিবিরুদ্ধ। এরা পতির কাজের সমালোচনা শোনা পর্যন্ত পাপ মনে করে। সে সময়ে বাংলার সমাজ ব্যবস্থায় মেয়েদের এমন অবস্থা ছিল যে তারা পতিনিন্দা করা তো দূরে থাক কেউ যদি পতির নিন্দা করতো তাহলে তারা সে স্থান ত্যাগ করতো। এদের আদর্শ ছিল সতী, যিনি পতির নিন্দা শুনে প্রজ্বলিত যজ্ঞকুণ্ডে আত্ম বিসর্জন দিয়েছেন। মধুসূদনের বীরাঙ্গনা সে যুগের আদর্শ থেকে চ্যুত হয়ে স্বীয় পতির দোষগুণের সমালোচনাই শুধু করেনি, পতীর প্রতি দুর্ব্যবহারের অভিযোগ করেছে। প্রবল অহমিকায় বিশ্বাসী এবং নিজ নিজ স্বাতন্ত্র্য রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ রমণী মূর্তিকে মধুসূদন তাঁর কাব্যে অংকন করেছেন। বীরাঙ্গনা কাব্যে বিভিন্ন ধরনের পত্র সন্নিবেশিত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে প্রেমবিষয়ক পত্র, প্রেম প্রত্যাখ্যানজনিত পত্র এবং স্বামীর অত্যাচারে কিংবা দুর্ব্যবহারে অতিষ্ঠ রমণী হৃদয়ের ক্ষোভের পত্র। প্রচলিত ছিল যে, ভারতীয় নারী স্বামীর নিকট বিক্রীত। নারী তার দেহে, মনে স্বামীর কাছে আত্মনিবেদিত। তার নিজের কোন বৈশিষ্ট্য নেই। সংসারের নিয়ম - নীতিতে সে অষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। কিন্তু মধুসূদনের কাব্য রচনা যেহেতু নবজাগরণের পরে সেহেতু তাতে ইউরোপীয় ব্যক্তি মানসের ছায়া পড়েছে। যেমন ‘দশরথের প্রতি কেকয়ী’ এই পত্রে দশরথের অন্যায় কার্যে স্ত্রী কেকয়ী তাকে নানান ভাষায় নানানভাবে শ্লেষপূর্ণ বাক্যে রাজাকে অবজ্ঞা করছে। সে এ কথাও বলে বেড়াচ্ছে যে - সে এ পুরী ছেড়ে চলে যাবে এবং দেশে দেশে বলে বেড়াবে ‘পরম অধর্মচারী রঘুকুল পতি!’ পুত্রের সিংহাসন আরোহণ করানোর জন্য স্বামীর অন্যায়কে সে সহ্য করেনি কারণ দশরথ অঙ্গীকার করেছে কেকয়ী পুত্র ভরতকে সিংহাসনে বসাবে। অঙ্গীকার ভেঙে রামকে কেন সিংহাসনে বসাচ্ছে। কেকয়ীর কাছে এটি অঙ্গীকার ভঙ্গের অপরাধ। অন্যান্য পত্রের মত এ পত্রখানিও ভাষার তীব্রতায় শ্রেষ্ঠ। ‘নীলধ্বজের প্রতি জনা’ পত্রে ও স্বামীর মীমাংসাকে মেনে নিতে পারেনি জনা। অশ্ব মেধ যঙ্গের অশ্ব ধরেছিল জনার পুত্র প্রবীর। পার্থের সঙ্গে যুদ্ধে সে নিহত হয়। কিন্তু পিতা নীলধ্বজ শত্রুর সঙ্গে মিত্রতা করেন এটা জনা সহ্য করতে পারেনি। স্বামীকে পুত্র হন্তার সঙ্গে মিত্রতা করার জন্য যে অবজ্ঞাপূর্ণ ভাষায় লিখেছেন তারই নিদর্শন এ পত্র। এভাবে স্বামীর অন্যায় আচরণে ক্ষুব্ধ স্ত্রীর হৃদয়াবেগ প্রকাশ পেয়েছে বিভিন্ন পত্রে। ব্রজাঙ্গনার মতো বীরাঙ্গনাও লিরিক কাব্য। ভাষার লালিত্যে এ ছন্দের পারিপাট্টে বীরাঙ্গনা মধুসূদনের শ্রেষ্ঠ রচনা। ‘তিলোত্তমা’ ও ‘মেঘনাদ বধ’ কাব্যে তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেছিলেন তা ‘বীরঙ্গনা কাব্যে পূর্ণতা পেয়েছে। ‘বীরঙ্গনা’ কাব্যের ছন্দ - স্বাচ্ছন্দ্য পাঠককে মুগ্ধ করে। এর সর্বত্রই একটা সংগীত ধ্বনি ঝংকৃত হয়ে কাব্যখানিকে পরম উপাদেয় করে তুলেছে। কবিত্ব শক্তির দিক দিয়ে বিচার করলে মেঘনাদ বধ উৎকৃষ্ট কিন্তু ভাষার লালিত্যে ও ছন্দের পারিপাট্টে বীরঙ্গনা সর্বশ্রেষ্ঠ রচনা। কারণ মেঘনাদ বধ বাক্যে দুরূহ শব্দ সুপাঠের জন্য বিঘ্ন সৃষ্টি করে। কিন্তু বীরাঙ্গনায় তা নেই। এখানে সুচিত শব্দের সুবিন্যাস ঘটেছে। তা ছাড়া ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্যে করুণ রস সৃষ্টিতে অসাধারণ শিল্প কুশলতার পরিচয় দিয়েছেন মধুসূদন। এ কথা বলা অযৌক্তিক হবে না যে সমাজে কোন না কোন কারণে নিন্দিতা নারীর হৃদয় উদ্ঘাটন করে মাইকেল নারী ও নারীত্বকে বীরঙ্গনা কাব্যে ইউরোপীয় আদলে মহিমান্বিত করেছেন।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা কাব্য। সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বাংলা কাব্যের সূচনা ঘটে। বাংলা সাহিত্যের সর্বাধিক সমৃদ্ধ ধারা গীতিকবিতা। উনিশ শতকের গীতিকাব্য ধারার অন্যতম কবি বিহারীলাল চক্রবর্তী। বাংলা গীতিকবিতার পূর্ণবিকাশ ঘটে রবীন্দ্রনাথের হাতে।
বাংলা কবিতার 'পঞ্চপাণ্ডব' :
বাংলা সাহিত্যে 'কল্লোল' যুগের ত্রিশের দশকের ৫ জন কবি জীবনানন্দ দাশ, বিষ্ণু দে, বুদ্ধদেব বসু, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ও অমিয় চক্রবর্তীকে একত্রে 'পঞ্চপাণ্ডব' বলা হয়। এঁরা সবাই রবীন্দ্রসাহিত্য প্রভাব বলয়ের বাইরে গিয়ে আধুনিক কবিতা রচনা করে বাংলা সাহিত্যে নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখেছিলেন বলে এঁদেরকে 'পঞ্চপাণ্ডব' বলা হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চেতনা, ইউরোপীয় সাহিত্যের প্রভাব এঁদের মনস্তত্ত্বে ভীষণভাবে গ্রোথিত হয়েছিল। তাঁরা বয়সে তরুণ হলেও সৃষ্টিতে ছিলেন কূলপ্লাবী; আধুনিক বাংলা সাহিত্য রচনায় প্রাজ্ঞ। তাঁরা সবাই ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র হয়েও বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূচনা করেছিলেন। অপরদিকে, আধুনিকতার নামে স্বেচ্ছাচারিতা ও অশ্লীলতাকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে- এই অভিযোগে 'শনিবারের চিঠি' পত্রিকাকে কেন্দ্র করে কল্লোল বিরোধী আরেকটি সাহিত্য বলয় সৃষ্টি হয়। এদের নেতৃত্বে ছিলেন মোহিতলাল মজুমদার, সজনীকান্ত দাস, নীরদ চৌধুরী প্রমুখ।
Ode : Ode অর্থ গাথা বা গান বা স্তোত্র বা প্রাচীন গ্রিক কবিতা যা গ্রিক সাহিত্য হতে উদ্ভূত। প্রাচীনকালে গ্রীসে রঙ্গমঞ্চে কোরাসে বিভিন্ন সুরে নানা অঙ্গভঙ্গি দ্বারা সংগীত ও নাচের মাধ্যমে যে গান গাওয়া হতো তাকে Ode বলা হতো। বর্তমানকালে প্রশস্তিমূলক গীতিকবিতায় কোন গম্ভীর বিষয়বস্তু বা উপাদানের মাধ্যমে কবির মনের অনুভূতির ভাবমূর্তির প্রকাশকে স্তোত্র কবিতা নামে আখ্যায়িত করা হয়।
Key Notes:
- আধুনিক যুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম কাব্য রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মিনী উপাখ্যান' (১৮৫৮)।
- আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের প্রথম ও প্রধান কবি বিহারীলাল চক্রবর্তী।
- বাংলা কাব্যে আধুনিক যুগের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রোহী প্রধান কাব্য 'অগ্নিবীণা' (১৯২২)।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম জীবনীকাব্য 'শ্রী চৈতন্য ভাগবত'।
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম ধারা কবিতা। কবিতা দুই প্রকার। যথা:
১. তন্ময় কবিতা,
২. মন্ময় কবিতা। - বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের প্রথম কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী। মধ্যযুগের কবি চন্দ্রাবতী ছিলেন কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের এবং তাঁর পিতার নাম দ্বিজ বংশীদাস।
- আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি স্বর্ণকুমারী দেবী।
- বাংলা কবিতার ছন্দের জাদুকর সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
- বাংলা কবিতায় মুক্তক ছন্দের প্রবর্তক কাজী নজরুল ইসলাম।
- বাংলা সাহিত্যের ছান্দসিক কবি আবদুল কাদির।
- টি.এস এলিয়টের ইংরেজি কবিতা প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এর মাধ্যমে বাঙালি কবিদের আধুনিক কবিতার সাথে পরিচয় ঘটে।
- বাংলা কাব্যে প্রথম প্রচুর পরিমাণ আরবি ও ফারসি শব্দ ব্যবহার করেন মোহিতলাল মজুমদার এবং পরবর্তীতে কাজী নজরুল ইসলাম।
বিখ্যাত কাব্য ও কবিতা
কবি | কাব্য | ||
| রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | 'কবি-কাহিনী' (১৮৭৮): প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। 'বনফুল', 'কড়ি ও কোমল', 'সোনার তরী', 'চিত্রা', 'ক্ষণিকা', 'নৈবেদ্য', 'খেয়া', 'গীতাঞ্জলি', 'বলাকা', 'পূরবী', 'শেষলেখা', 'মানসী', 'চৈতালি', 'কল্পনা', 'পত্রপূট', 'সেঁজুতি', 'আকাশ প্রদীপ', 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলি', 'পুনশ্চ'। | ||
| কাজী নজরুল ইসলাম | 'অগ্নিবীণা' (সেপ্টেম্বর, ১৯২২): প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। 'সন্ধ্যা', 'বিষের বাঁশি', 'প্রলয়শিখা', 'দোলনচাঁপা', 'সঞ্চিতা', 'মরুভাস্কর', 'চিত্তনামা', 'সিন্ধু হিন্দোল', 'চন্দ্রবিন্দু', 'ঝিঙেফুল', 'সাতভাই চম্পা', 'সর্বহারা', 'সাম্যবাদী', 'ভাঙার গান', 'ঝড়', 'ফণিমনসা', 'জিঞ্জির', 'ছায়ানট', 'পূবের হাওয়া', 'চক্রবাক'। | ||
| শহীদ কাদরী | 'উত্তরাধিকার', 'তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা'। | ||
| বিষ্ণু দে | 'উর্বশী ও আর্টেমিস', 'চোরাবালি', 'সাত ভাই চম্পা'। | ||
| দাউদ হায়দার | 'জন্মই আমার আজন্ম পাপ', 'নারকীয় ভুবনের কবিতা', 'আমি ভাল আছি তুমি' | ||
| নবীনচন্দ্র সেন | 'পলাশীর যুদ্ধ' | হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় | 'চিন্তাতরঙ্গিণী' |
| সমর সেন | 'কয়েকটি কবিতা' | রামেন্দ্রসুন্দরী ত্রিবেদী | 'জিজ্ঞাসা |
| আবদুল কাদির | 'দিলরুবা', 'উত্তর বসন্ত'। | সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার | ‘মহিলা’ |
| দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর | 'স্বপ্নপ্রয়াণ' | বিলহন (কাশ্মিরী কবি | 'চৌরপঞ্চাশিকা' (বিষয়: অবৈধ প্রণয়) |
কবি | কবিতা | কবি | কবিতা |
| রামনিধি গুপ্ত | স্বদেশী ভাষা | আবুল হোসেন | পোস্টার |
| হরিশ্চন্দ্র মিত্র | স্বদেশী ভাষা | হুমায়ূন কবির | মেঘনায় ঢল |
| আবদুল কাদির | জয়যাত্রা | ||
| শেখ ফজলল করিম | গায়ের ডাক, স্বর্গ ও নরক | ||
| কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার | মিতব্যয়িতা, সমব্যথি | ||
| কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার | পারিব না | ||
| রজনীকান্ত সেন | স্বাধীনতার সুখ | ||
| রজনীকান্ত সেন | এই অক্ষরে |
কবি | কাব্য | কবিতা |
| মোহিতলাল মজুমদার | 'স্বপন পসারী', 'হেমন্ত গোধূলি'। | বেদুঈন |
| গোবিন্দচন্দ্র দাস | 'প্রেম ও ফুল', 'মগের মুলুক'। | জন্মভূমি |
| যতীন্দ্রমোহন বাগচী | 'অপরাজিতা', 'নীহারিকা', 'মহাভারতী', 'জাগরণী'। | কাজলা দিদি, অন্ধবধূ |
| যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তে | 'মরীচিকা', 'মরুমায়া', 'মরুশিখা', 'সায়ম', 'ত্রিযামা'। | নবান্ন, ডাক হরকরা |
| বন্দে আলী মিয়া | 'ময়নামতির চর' | আমাদের গ্রাম |
| অক্ষয়কুমার বড়াল | 'প্রদীপ', 'এষা', 'শঙ্খ', 'ভুল', 'কনকাঞ্জলি'। | মানব-বন্দনা |
| সুকুমার রায় | 'আবোল-তাবোল', 'হ-য-ব-র-ল', 'খাই খাই'। | শ্রাবণে, ছায়াবাজি |
| কালিদাস রায় | 'পর্ণপুট', 'কিশলয়', 'বল্লরী', 'ঋতুমঙ্গল', 'রসকদম্ব'। | বাবুরের মহত্ত্ব |
| রফিক আজাদ | 'অসম্ভবের পায়ে', 'চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া', 'সশস্ত্র সুন্দর' | চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া |
| আবু হেনা মোস্তফা কামাল | 'আপন যৌবন বৈরী', 'যেহেতু জন্মান্ধ', 'আক্রান্ত গজল'। | ছবি |
| মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান | 'দুর্লভ দিন', 'শঙ্কিত আলোকে', 'প্রতনু প্রত্যাশা'। | শহীদ স্মরণে, ভূমিহীন কৃষিজীবী ইচ্ছে তার |
Related Question
View All-
ক
মেঘনাদবধ
-
খ
চন্ডীমঙ্গল
-
গ
পদ্মাবতী
-
ঘ
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
-
ক
নাটক
-
খ
ছোটগল্প
-
গ
প্রবন্ধ
-
ঘ
গীতিকবিতা
-
ক
শেষ প্রশ্ন
-
খ
শেষ লেখা
-
গ
শেষের কবিতা
-
ঘ
শেষের পরিচয়
-
ক
২ ভাগে
-
খ
৩ ভাগে
-
গ
৪ ভাগে
-
ঘ
কোনটিই নয়
-
ক
মাগধী
-
খ
গৌড়ীয়
-
গ
গৌড়ীয় প্রাকৃত
-
ঘ
বজ্রবুলি
-
ক
মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ
-
খ
সমর সেন
-
গ
রজনীকান্ত সেন
-
ঘ
জাহানারা আরজু
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন